Advertisements


ধেঁয়ে আসছে দেশের দিকে প্রবল শক্তিশালী বৃষ্টিবলয় তুফান (CS)

ধেঁয়ে আসছে দেশের দিকে প্রবল শক্তিশালী বৃষ্টিবলয় তুফান (CS)

এটি একটি প্রবল শক্তিসম্পন্ন ক্রান্তীয় রেইন বেল্ট।
এটি একটি হালকা বজ্রপাত যুক্ত বৃষ্টিবলয়, এই বৃষ্টি বলয়ে দেশের অনেক এলাকায় প্রবল দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
এটি চলতি বছরের ৭ তম বৃষ্টিবলয়, এই বৃষ্টি বলয়ের প্রথমদিকে দেশের উপকূল বেশি সক্রিয় থাকতে পারে, পরবর্তী সময়ে দেশের বাকি এলাকায় সক্রিয় হতেপারে।

সময়সূচি : ২৬ শে মে থেকে ২৮ শে মে পর্যন্ত ( ২০২৪)

সর্বাধিক সক্রিয়: সিলেট বিভাগের সকল জেলা।
অধিক সক্রিয়ঃ ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগ
মাঝারি সক্রিয় : রাজশাহী ও রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগের দক্ষিন পূর্বাঞ্চল ।
নাম : প্রবল শক্তিশালী ক্রান্তীয় বৃষ্টি বলয় তুফান
টাইপ : ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় যুক্ত বৃষ্টিবলয়।
ক্যাটাগরিতে : পূর্ণাঙ্গ বৃষ্টিবলয়।
বৃষ্টিবলয় নামকরণে : BWOT


নোট : বৃষ্টিবলয় তুফান চলাকালীন সময়ে বেশি সক্রিয় এলাকায় বেশিরভাগ সময়ই আকাশ মেঘাছন্ন থাকতে পারে। এবং অধিকাংশ বৃষ্টিপাত হতে পারে একটানা দীর্ঘস্থায়ী।

ধেঁয়ে আসছে বৃষ্টিবলয় তুফান, কবে কোথায় কেমন সক্রিয় হতে পারে?

বিবরন : এই বৃষ্টিবলয় আগামী ২৬ মে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দক্ষিণ অংশ দিয়ে দেশে প্রবেশ করতে পারে ও আগামী ২৮ মে সিলেট হয়ে দেশ ত্যাগ করতেপারে। এই বৃষ্টিবলয়টি চলাকালীন সময়ের ভেতরে দেশের অধিকাংশ এলাকায় একটানা বৃষ্টি হতেপারে।

এই বৃষ্টি বলয় চলাকালীন সময়ে সিলেট ও দেশের উপকূলীয় এর নিচু এলাকায় সাময়িক বন্যার আশঙ্কা আছে।

বৃষ্টিবলয় তুফান চলাকালীন সময়ে দেশের উপর কোন তাপপ্রবাহ সক্রিয় থাকবেনা, তবে তুফান চলে যাবার পর একটি কষ্টদায়ক তাপপ্রবাহ আসতে পারে।

তুফান চলাকালীন সময়ে দেশের সমুদ্র বন্দর অধিকাংশ সময়েই বায়ুচাপের তারতম্যের কারনে ব্যাপক উত্তাল থাকতেপারে।
তুফান চলাকালীন সময়ে বেশি সক্রিয় স্থানে রোদের উপস্থিতি টোটালি পাওয়া যাবেনা ইনশাআল্লাহ।
মেঘের অভিমুখ: এক এক সময় এক এক দিকে।

➡ Follow us on Google News feed for daily Latest Updates

বৃষ্টি বলয় কি? এর ধরন কি কি?

আসুন একনজরে দেখেনেই তুফান চলাকালীন সময়ে দেশের কোন বিভাগে গড়ে কত মিলিমিটার বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।

ঢাকা ২০০ মিলিমিটার
খুলনা ২৫০ মিলিমিটার
বরিশাল ৩০০ মিলিমিটার
সিলেট ৩৫০ মিলিমিটার
ময়মনসিংহ ৩০০ মিলিমিটার
রাজশাহী ১২০ মিলিমিটার
রংপুর ১২০ মিলিমিটার
চট্টগ্রাম ১৩০ মিলিমিটার

আসুন একনজরে দেখে নেই, বৃষ্টি বলয় তুফান চলাকালীন সময়ে আপনার জেলায় গড়ে কত মিলিমিটার বৃষ্টি হতেপারে।

জেলার নাম। বৃষ্টির পরিমান (মিমি)

সিলেট। ৪০০+

সুনামগঞ্জ। ৩৫০+

হবিগঞ্জ। ৩২০+

মৌলভীবাজার। ৩০০+

রংপুর, ৮০+

দিনাজপুর, ৭০+

ঠাকুরগাঁও। ৬০+

পঞ্চগড় ৮০+

নীলফামারী ৯০+

লালমনীরহাট। ১০০+

কুড়িগ্রাম। ১৩০+

গাইবান্ধা ৭০+

জয়পুরহাট। ৭০+

নওগাঁ ৬০+

বগুড়া ১২০+

চাঁপাইনবাবগঞ্জ। ৮০+

রাজশাহী ১০০+

নাটোর। ১৩০+

সিরাজগঞ্জ। ১৮০+

পাবনা ১৪০+

খুলনা(উত্তর), ৩২০+

খুলনা(দক্ষিণ), ৩৫০+

সাতক্ষীরা(উত্তর) ৩৩০+

সাতক্ষীরা(দক্ষিণ) ৩৮০+

বাগেরহাট(উত্তর) ৩৪০+

বাগেরহাট(দক্ষিন) ৩৫০+

যশোর, ২৮০+

নড়াইল। ৩০০+

মাগুরা ২৮০+

ঝিনাইদহ। ২৩০+

চুয়াডাঙ্গা ২০০+

মেহেরপুর। ১৯০+

কুষ্টিয়া ১৮০+

বরিশাল, ৩৫০+

পিরোজপুর। ৩৫০+

ঝালকাঠি ৩৬০+

পটুয়াখালী ৩০০+

বরগুনা ৩৬০+

ভোলা ৩০০+

চট্টগ্রাম, ৯০+

ফেনী ১৪০+

লক্ষ্মীপুর ১৩০+

চাঁদপুর। ১৫০+

কুমিল্লা ১৪০+

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১৮০+

খাগড়াছড়ি ৮০+

রাঙ্গামাটি ৬০+

বান্দরবান। ৪৫+

কক্সবাজার। ৪০+

নোয়াখালী, ২২০+

ঢাকা ২৫০+

গোপালগঞ্জ। ৩২০+

মাদারীপুর। ৩০০+

শরিয়তপুর ৩০০+

ফরিদপুর। ২৮০+

রাজবাড়ী ২২০+

মানিকগঞ্জ। ২২০+

মুন্সীগঞ্জ। ২২০+

নারায়ণগঞ্জ। ২০০+

নরসিংদী ২২০+

গাজীপুর। ২১০+

টাঙ্গাইল। ২০০+

কিশোরগঞ্জ। ২৯০+

ময়মনসিংহ। ৩১০+

জামালপুর। ২১০+

শেরপুর। ২৫০+

নেত্রকোনা ৩০০+

কলকাতা (পশ্চিমবঙ্গ) ২৫০+ মিলিমিটার।
২৪ পরগনা ৩২০+
বৃষ্টিবলয় তুফান চলাকালীন সময়ের ভেতরে দীঘা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, সাতক্ষীরা, খুলনা , বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালি, ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় ঘন্টায় ৯০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা আছে।

এখানে দেওয়া বৃষ্টির পরিমান একটা গড় ধারনা মাত্র, স্থানভেদে এর পরিমান কিছুটা হেরফের হতেপারে। ও দেশের কোন কোন ক্ষুদ্র এলাকায় কিছুটা বেশি বৃষ্টি হতেপারে ও কোন ক্ষুদ্র স্থানে বৃষ্টি অনেক কম হতেপারে।

নোট : প্রাকৃতিক কারনে বৃষ্টি বলয় তুফান এর সময়সূচি কিছুটা পরিবর্তন ও এর শক্তি কিছুটা হ্রাস, বৃদ্ধি বা বিলুপ্ত হতেপারে।
পরবর্তী বৃষ্টি বলয়ের নামঃ প্রবল বৃষ্টি বলয় ঝুমুল / স্পার্ক

পূর্বাভাস তৈরি : Bangladesh Weather Observation Team – BWOT
Graphic: BWOT
পোস্ট টাইপ: পারভেজ আহমেদ পলাশ।
[Copyright : বাংলাদেশে BWOT একমাত্র আবহাওয়া সংস্থা যারা বৃষ্টি বলয় নামকরন করে বৃষ্টিবলয়ের পূর্বাভাস করার প্রচলন করে। তাই BWOT ব্যাতিত আর কেউ বৃষ্টি বলয় নামকরণ করে পূর্বাভাস করে বিভ্রান্তি তৈরি করা থেকে বিরত থাকুন]

*DISCLAIMER: এটা শুধুমাত্র আমাদের গবেষণায় পাওয়া তথ্য, কোনো সরকারি পূর্বাভাস বা সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি না এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত অফিসিয়াল পূর্বাভাসের জন্য সবাই বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করুন। এবং এই পূর্বাভাসের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই বাংলাদেশ আবহাওয়া দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করুন, অথবা তাদের পূর্বাভাস অনুসরণ করুন।

ধন্যবাদ : Bangladesh Weather Observation Team- BWOT
আপডেট : ২৫ শে মে রাত ১০ টা বেজে ৫০ মিনিটে। ২০২৪ সাল।

Advertisements


Advertisements